বাংলাদেশে আবারও বইতে শুরু করেছে নির্বাচনী হাওয়া। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে রাজপথের মিছিল—সবখানেই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু আসন্ন নির্বাচন। নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে শুরু করে রাজনৈতিক দলগুলোর অন্দরমহলে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। ভোটারদের মধ্যেও কাজ করছে নতুন উদ্দীপনা।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে তারা বদ্ধপরিকর। এর মধ্যেই শুরু হয়েছে সীমানা নির্ধারন এবং ভোটার তালিকা হালনাগাদের প্রাথমিক কাজ। ভোটকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে দফায় দফায় বৈঠক করছে কমিশন।
প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো ইতোমধ্যেই তাদের সাংগঠনিক শক্তি বাড়াতে কাজ শুরু করেছে।
কেন্দ্রীয় নেতারা দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা সফর করছেন।
ঝিমিয়ে পড়া নেতা-কর্মীদের চাঙ্গা করতে পাড়ায় পাড়ায় চলছে কর্মী সভা ও উঠান বৈঠক।
তরুণ ভোটারদের টানতে প্রতিটি দলই তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশের রূপরেখা তুলে ধরার পরিকল্পনা করছে।
এবারের নির্বাচনে বড় ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়াবে তরুণ ভোটাররা। প্রায় কোটিরও বেশি নতুন ভোটার প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা—একটি অংশগ্রহণমূলক, শান্তিপূর্ণ এবং স্বচ্ছ নির্বাচন, যেখানে তারা কোনো বাধা ছাড়াই নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এবারের নির্বাচনের বড় চ্যালেঞ্জ হলো সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং জনমনে আস্থার পরিবেশ তৈরি করা।
প্রচারণা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণার তোড়জোড়।নতুন ভোটারবিশাল সংখ্যক তরুণ ভোটারের অন্তর্ভুক্তিতে পাল্টে যেতে পারে সমীকরণ।
সব মিলিয়ে বাংলাদেশে এখন সাজ সাজ রব। ভোটের দিনক্ষণ ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে এই উত্তেজনা আরও বাড়বে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। গণতন্ত্রের এই মহোৎসবে শেষ পর্যন্ত কারা বিজয়ী হয়ে ক্ষমতায় বসবেন, তা দেখার জন্য মুখিয়ে আছে পুরো দেশ।

