আল নাসরের জার্সিতে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর হাসি এখন প্রায় উধাও। মাঠে নামেননি সর্বশেষ ম্যাচে। কিন্তু এর পেছনে আনুষ্ঠানিক কারণটা জানতে আগ্রহী দর্শকরা। শুক্রবার ইতিহাদের বড় ম্যাচের আগে বিশ্রাম। অবশ্য আসল কারণটা কিন্তু অনেক গভীর।
রোনালদো আর নীরবে সহ্য করতে চান না। তাঁর রাগ পিআইএফ-এর ওপর। পিআইএফই সৌদি আরবের চারটি বড় ক্লাব চালায়। অধিনায়ক হিসেবে রোনালদোর অভিযোগ স্পষ্ট—আল নাসরকে ইচ্ছেকৃতভাবে পিছিয়ে রাখা হচ্ছে। অন্যদিকে, আল হিলাল-আল ইতিহাদ পাচ্ছে কোটি কোটি ইউরো। আর আল নাসর? এই উইন্ডোতে মাত্র একজন—ইরাকের ২১ বছরের হায়দার আবদুল করিম।
অথচ আল হিলাল নিয়েছে পাবলো মারিকে। ৩০ মিলিয়ন ইউরো খরচ করে কাদের মেইত। সাইমন বুয়াব্রেকেও উড়িয়ে এনেছে। এমনকি বেনজেমাও হিলালে যেতে পারেন বলে রয়েছে গুঞ্জন।
আরও বড় আঘাত:
জানুয়ারির শুরুতেই আল নাসরের দুই পর্তুগিজ কর্তার ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। সিমাও কুতিনিও এবং জোসে সেমেদো—দুজনেই রোনালদোর বিশ্বাসের মানুষ। ফলে এটা রোনালদোর অবশ্যই নেতিবাচক। কোচ জর্জ জেসুস তো আগেই বলে ফেলেছিলেন,
“আল নাসরের রাজনৈতিক ক্ষমতা হিলালের মতো নয়।” সেই কথার জেরে হিলাল এখন জেসুসকে ৬-১২ মাস নিষিদ্ধ করার আবেদন করেছে।
তাই নিঃশব্দে এই ‘বয়কট’ কোনো সাধারণ বিশ্রাম নয়। এটা রোনালদোর নীরব বিদ্রোহ। তিনি শুধু গোল করতে আসেননি।
তিনি চান আল নাসরও সেরা হোক। পিআইএফ যদি কান না দেয়, তাহলে আল নাসরের সঙ্গে সিআর৭-এর সম্পর্ক
খুব শিগগিরই তেতো হয়ে উঠতে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

