২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে আইফোনের নতুন সিরিজ লঞ্চ করতে যাচ্ছে অ্যাপেল। তবে এবারের মূল আকর্ষণ হতে যাচ্ছে অ্যাপেলের ফোল্ডেবল ফোন , যা প্রযুক্তি বাজারে নতুন প্রতিযোগিতার সৃষ্টি করবে।
অ্যাপলের প্রথম ফোল্ডেবল আইফোন (iPhone Fold)
দীর্ঘদিনের গুঞ্জন কাটিয়ে ২০২৬ সালে অ্যাপল তাদের প্রথম ফোল্ডেবল ফোন আনতে পারে। এটি অনেকটা বইয়ের মতো ভাঁজ করা যাবে।
ডিসপ্লে: ভেতরে থাকছে প্রায় ৭.৮ ইঞ্চির বিশাল ডিসপ্লে এবং বাইরে ৫.৩ ইঞ্চির সেকেন্ডারি স্ক্রিন।
বিশেষত্ব: মজার বিষয় হচ্ছে অ্যাপেল এমন এক প্রযুক্তি ব্যবহার করছে যাতে ডিসপ্লের মাঝে ভাজের কোন দাগ দেখা যাবে না।
বডি: ফোনটি হবে অত্যন্ত পাতলা (প্রায় ৪.৫ মিমি) এবং এতে টাইটানিয়াম ও অ্যালুমিনিয়ামের ফ্রেম ব্যবহার করা হতে পারে।
আইফোন ১৮ প্রো ও প্রো ম্যাক্স: বড় পরিবর্তন
প্রো মডেলগুলোতে ডিজাইনে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে:
আন্ডার-ডিসপ্লে ফেস আইডি: ফেস আইডির সেন্সরগুলো স্ক্রিনের নিচে চলে যেতে পারে, ফলে বর্তমানের ‘ডাইনামিক আইল্যান্ড’ আরও ছোট হয়ে স্রেফ একটি পাঞ্চ-হোল ক্যামেরায় রূপ নিতে পারে।
এ২০ চিপসেট: এতে থাকবে বিশ্বের প্রথম ২ ন্যানোমিটার (2nm) প্রযুক্তিতে তৈরি A20 চিপ, যা আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী এবং ব্যাটারি সাশ্রয়ী হবে।
ক্যামেরা: প্রথমবারের মতো আইফোনে ভ্যারিয়েবল অ্যাপারচার (Variable Aperture) লেন্স যুক্ত হতে পারে, যা ডিএসএলআর ক্যামেরার মতো আলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখবে।
নতুন সদস্য ‘আইফোন ১৭ই’ এবং ‘এয়ার ২’
২০২৬ সালের শুরুর দিকে (ফেব্রুয়ারি-মার্চ নাগাদ) বাজারে আসতে পারে সাশ্রয়ী মূল্যের iPhone 17e। এছাড়া আইফোনের সবচেয়ে পাতলা সংস্করণ iPhone Air 2 নিয়েও কাজ করছে অ্যাপল, যেখানে স্লিম ডিজাইনের পাশাপাশি উন্নত ব্যাটারি লাইফ নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।
নতুন রং ও কানেক্টিভিটি
শোনা যাচ্ছে, প্রো মডেলগুলোতে এবার বারগান্ডি (Burgundy) এবং ডার্ক পার্পল এর মতো নতুন রঙ দেখা যাবে। এছাড়া উন্নত ৫জি নেটওয়ার্কের জন্য অ্যাপল তাদের নিজস্ব তৈরি C2 Modem ব্যবহার করতে পারে।
নোট: এই তথ্যগুলো অ্যাপল সাপ্লাই চেইন এবং টেক এনালিস্টদের (যেমন জেফ পু এবং মিং-চি কুও) রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে লেখা। অ্যাপলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগে কিছু পরিবর্তন হতে পারে।

