হলিউড
হলিউডের কাজ করা আর সাধারণ চাকরি করা এক কথা নয়। এখানে সফল হতে হলে নিচে উল্লেখিত বেশ কিছু গুণ থাকা আবশ্যিক:
অভিনয়ের ওপর দখল (Training is Key)
হলিউড এখন আর শুধু সুন্দর চেহারা খোঁজে না, তারা খোঁজে মেধা। আপনি যদি জন্মগতভাবে অভিনেতা হয়েও থাকেন, তবুও প্রফেশনাল ট্রেনিংয়ের কোনো বিকল্প নেই। ভালো কোনো অ্যাক্টিং স্কুলে ভর্তি হওয়া বা অভিজ্ঞ মেন্টরের কাছে কর্মশালা করা,আপনার অভিনয়কে নিখুঁত করবে।
নিখুঁত ইংরেজি উচ্চারণ
আপনি যে দেশ থেকেই যান না কেন, হলিউডে কাজ করতে হলে ইংরেজি ভাষায় সাবলীল হওয়া জরুরি। বিশেষ করে ‘American Accent’ বা আমেরিকান টান আয়ত্ত করতে পারলে আপনার জন্য কাজের সুযোগ অনেক বেড়ে যাবে।
একটি প্রফেশনাল পোর্টফোলিও
অডিশন দেওয়ার জন্য আপনার দুটি জিনিস অবশ্যই লাগবে:
Headshots: খুব উচ্চমানের প্রফেশনাল কিছু ছবি।
Showreel: আপনার আগের করা সেরা কিছু কাজের ভিডিও ক্লিপ বা পোর্টফলিও। যদি নতুন হন, তবে ছোট কোনো নাটকের ভালো মানের ভিডিও ক্লিপও ব্যবহার করা যায়।
ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাক্টর হিসেবে শুরু করা
সরাসরি লিড রোল পাওয়া লটারি জেতার মতো। তাই শুরুতে ‘এক্সট্রা’ বা ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাক্টর হিসেবে কাজ শুরু করা বুদ্ধিমত্তার পরিচয়। এতে সেটের পরিবেশ এবং শুটিংয়ের খুঁটিনাটি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
সাফল্যের তিন ধাপ: নেটওয়ার্কিং, অডিশন ও ধৈর্য
হলিউডে আপনার পরিচিতি যত বাড়বে, কাজের সুযোগ তত কাছে আসবে।
এজেন্ট বা ম্যানেজার খুঁজে বের করা: হলিউডের বড় প্রজেক্টগুলোতে সরাসরি অডিশন দেওয়া যায় না। একজন ভালো ট্যালেন্ট এজেন্ট আপনাকে বড় বড় কাস্টিং ডিরেক্টরের মুখোমুখি করতে পারেন।
অডিশন দেওয়ার মানসিকতা: এখানে ১০০টি অডিশন দিয়ে হয়তো ১টিতে সুযোগ মিলবে। তাই বারবার প্রত্যাখ্যাত হওয়ার মানসিক শক্তি থাকতে হবে।
সঠিক জায়গায় বসবাস: হলিউডে কাজ করতে হলে আপনাকে লস অ্যাঞ্জেলেসের আশেপাশে থাকতে হবে। কারণ ডাক আসার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আপনাকে অডিশন স্পটে পৌঁছাতে হতে পারে।
মনে রাখা ভালো
হলিউড অনেক প্রতিযোগিতার জায়গা। আপনার সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইলগুলোও গুছিয়ে রাখুন, কারণ আজকাল কাস্টিং ডিরেক্টররা সোশ্যাল মিডিয়ায় আপনার ফলোয়ার এবং প্রেজেন্সও খেয়াল করেন।
এক কথায়: প্রতিভা তো আপনার থাকতেই হবে, সেই সাথে কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায় আপনাকে দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাবে।

